এক্সেস রোডের ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে সিডিএ চেয়ারম্যানের মতবিনিময়

0

সিটিনিউজবিডি : বাকলিয়া চট্টগ্রামের অত্যন্ত প্রাচীন এক জনপদ। ১৭ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া, ১৮ নম্বর পশ্চিম বাকলিয়া ও ১৯ নম্বর দক্ষিণ বাকলিয়াসহ পূর্ব ষোলশহর, বক্সির হাট এবং চাঁন্দগাও এর কিছু অংশ নিয়ে এই বৃহত্তর বাকলিয়া গঠিত।

শাহ আমানত সেতু সড়কটি বাকলিয়া এলাকাকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। এই রাস্তাটি এই এলাকার প্রধান সড়ক। অন্যান্য সকল সড়কই কোন না কোনো ভাবে এ রাস্তার সাথে সংযুক্ত। খান বাহাদুর মিয়া খান সড়ক, খান বাহাদুর আমান আলী সড়ক এবং খাজা রোড, ডি সি রোড ইত্যাদি এই এলাকাসহ অন্যান্য সন্নিহিত এলাকার প্রধান সড়ক।

চট্টগ্রাম শহরের প্রাণ কেন্দ্র আন্দরকিল্লা, চকবাজার এবং বহদ্দার হাট হতে এই এলাকার অধিকাংশ স্থানের দূরত্ব গড়ে এক কিলোমিটার হতে দুই কিলোমিটার। শহর এলাকার এত কাছের অথচ বাতির নীচে অন্ধকারের মতো এই এলাকায় উন্নয়নের তেমন জোড়ালো ছোঁয়া পড়েনি। সরল মনের বাকলিয়াবাসীকে নিয়ে অনেক নেতা উন্নয়নের মিথ্যা ফুল ঝুড়ি দিয়েছেন। কেউ প্রতিশ্রুতি পুরনে আশানুরূপ আন্তরিকতা দেখাতে পারেনি। আমি কথায় নয় কাজে বিশ্বাস করি। গতকাল ২০৬ কোটি টাকা ব্যায়ে বাস্তবায়নাধীন বাকলিয়া এক্সসেস রোড প্রকল্পে জায়গা অধিগ্রহনের ফলে ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে মতবিনিময় কালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তিনি বলেন, বাকলিয়াবাসী আমার আত্মার আত্মীয়। বৃহত্তর বাকলিয়াকে বাদ দিয়ে চট্টগ্রাম নগরীর যথার্থ উন্নয়ন সম্ভব নয়। আপনাদের সহযোগিতা আমার সাথে থাকলে আমি বাকলিয়াকে আধুনিক উপশহর হিসেবে গড়ে তুলবো। বাকলিয়া এক্সসেস রোড সম্পন্ন হলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাকলিয়ার গুরুত্ব কয়েকগুন বেড়ে যাবে। এটি ১৯৯৫ সালের মাস্টারপ্ল্যানভুক্ত একটি পরিকল্পনা। নানা কারণে এতদিন আলোর মুখ দেখেনি। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এ প্রকল্পের গুরুত্ব উপলব্ধি করে অনুমোদন দিয়েছেন। এবার অবহেলিত বাকলিয়াবাসী ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের এর সুফল হাতে পাওয়ার পালা।

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাষ্টিজের পরিচালক সৈয়দ সগীর আহমেদের সভাপতিত্বে এবং ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হারুনুর রশিদেও পরিচালনা অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ,কে, এম জাফরুল ইসলাম, ১৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আহমেদ ইলিয়াছ, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যত্বিত্ব শাহরিয়ার খালেদ, ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ তৈয়বুর রহমান, মোহাম্মদ আবদুল মান্নানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকগণ বক্তব্য রাখেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.