আনোয়ারায় বাজারের জমি বেদখল বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

0

আনোয়ারা প্রতিনিধি : আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ওয়াহেদ আলী চৌধুরী বাজারের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে ১০টি স্থায়ী দোকানঘর তৈরীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সচেতন মহল বাধা দেওয়ার পরও প্রভাবশালী ১০ জন ব্যক্তি বাজারের জমিতে এসব স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। এ কারণে হাটেরদিন চাষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বাজারটিতে পণ্য বেচাকেনার জায়গা পান না।

এ বিষয়ে বাজারের জমিদাতা ওয়াহেদ আলী চৌধুরীর দৌহিত্র আবু ছাদেক চৌধুরী গত বছরের ৪ ডিসেম্বর আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এর প্রেক্ষিতে গত ২১ জানুয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জানে আলম সরেজমিন পরির্দশন করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রায়পুর ওয়াহেদ আলী চৌধুরী বাজারের জমিতে স্থানীয় ১০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি স্থায়ীভাবে দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। ওই ১০ জন হলেন, রায়পুর গ্রামের আবু তাহের, মো. জামাল, মো. নাছির, আবদুল আলিম, মো. ইদ্রিছ, আখতারুজ্জামান, ছৈয়দ নুর, এয়ার মোহাম্মদ, আবদুল কুদ্দুছ ও আহমদ ছফা। সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, বাজারের ২৮ শতক জমির মধ্যে অধিকাংশ জায়গা বেদখল হয়ে গেছে। স্থায়ীভাবে গড়ে উঠেছে পাকা-আধাপাকা ১০/১২ টি দোকানঘর। এতে করে বাজারের উন্মুক্ত অংশ খুবই সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় অর্ধশত বছরের পুরনো এ বাজারে সপ্তাহের প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার বড় হাট বসে। ক্রেতা-বিক্রেতা মিলিয়ে লোক সমাগম ঘটে কয়েক হাজার। বাজার ব্যবস্থাপনার অভাবে চাষি ও ভাসমান ব্যবসায়ীদের হাটে বসার জায়গা সংকুলান হচ্ছে না।
অভিযুক্ত দখলকারীদের মধ্যে আখতারুজ্জামান জানান, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বাজার এলাকায় দোকানঘর তৈরি করে ব্যবসা করছেন। এর আগে এসব দোকানের ভাড়া তুলতেন স্থানীয় মোজাফফর চৌধুরী। কিন্তু এইসব জমি সরকারী খাস জানতে পেরে তৎকালীন উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভুমি) পরামর্শক্রমে ভাড়া দেওয়া বন্ধ করে দিই।

জানতে চাইলে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গৌতম বাড়ৈ বলেন, অভিযোগ পেয়ে বাজার এলাকা পরিদর্শন করেছি। সেখানে অনেকে স্থায়ীভাবে দোকানঘর গড়ে তুলেছে। উচ্ছেদ করলেই সমস্যার সমাধান নয়। তাই সরকারি বিধি মতে এসব দোকান লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিব।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.