কক্সবাজারে প্রভাবশালীদের দখলে বনভূমি : মাটি বিক্রি ও উজাড় হচ্ছে গাছ

0

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন,কক্সবাজার : কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের সাড়ে ১৩ একর বনভূমি ইতোমধ্যে দখল হয়েছে। এসব জায়গায় প্রতিদিন একের পর এক শতবর্ষী গর্জন গাছ ও সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে সাবাড় করা হচ্ছে। একারণে উজাড় হতে চলেছে সরকারি বনাঞ্চল। বেদখলে চলে গেছে বনবিভাগের জায়গা। বনের জায়গা দখল করে নির্মিত হচ্ছে বসতবাড়ি-দোকানঘর ও রোহিঙ্গাদের বসতি। সরকারি উডলট ও এফআরএমফির বাগান এখন দখলদার চক্রের কব্জায়। আরও অভিযোগ উঠেছে, ইতোমধ্যে অন্তত শুধু ফুলছড়ি বনবিটে এক’শ কোটি টাকা মুল্যের বনায়নসহ ৪৩ হেক্টর বন ভুমি প্রায় ৩০ কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রিত টাকার সিংহভাগ পেয়েছেন বনকর্মীরা।

স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় বনাঞ্চলের পাহাড়ের মাটি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। জব্দ করা মালামাল বিক্রি করে ফেলছে বন রক্ষকরা।
অভিযোগ উঠেছে, প্রভাবশালীরা বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে দখল করে রেখেছে কয়েকশ একর সরকারি জায়গা। প্লট বানিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে বনের জায়গা। এমনকি, ধর্মীয় রীতির বাইরে গিয়ে বনের জায়গায় বানানো হচ্ছে কবরস্থান-শ্মশান। আর এর সবই চলছে স্থানীয় কিছু অসাধু বনবিট কর্মকর্তা ও বন জায়গিরদারদের যোগসাজশে। দেখে-শুনেও ‘চুপ’ করে থাকছেন উর্ধতন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ সবকিছুই শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সেই সিন্ডিকেটে জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, হেডম্যান, ভিলেজারের নামও রয়েছে।

অবৈধভাবে বনভূমি দখলের কথা স্বীকার করেছেন খোদ কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) কেরামত আলী মল্লিক।
তিনি জানিয়েছেন, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগে ১৩ হাজার ৭৫৪ দশমিক ১২ একর জমি দখল হয়ে গেছে। দখলদারের বিরুদ্ধে বিচারাধীন মামলা সংখ্যা চার হাজার ৪৮৩ টি। তাদের মোট জমির পরিমাণ ৯১ হাজার ৮৬৪ দশমিক ২১ একর। সেখান থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আইনি প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করা হয়েছে ১৬ হাজার ৮৮৪ একর।

তবে দখলে কর্মকর্তাদের যোগসাজশ থাকার অন্যান্য অভিযোগগুলো একেবারেই মানতে নারাজ বন বিভাগীয় এ কর্মকর্তা। জানতে চাইলে ডিএফও কেরামত আলী মল্লিক বলেন, ‘আপনারা শুধু বন বিভাগের দোষ খোঁজেন। আমরা তো দখল করছি না। বনবিভাগের জমি দখল করছে জনগণই। আবার অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে গিয়ে আমরা বাধাগ্রস্ত হই। প্রভাবশালীরা এতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোথায় কোথায় দখল হচ্ছে, কারা দখল করছে-সেগুলো নিয়ে লিখেন। আপনাদের লেখনি দিয়ে মানুষকে সচেতন করেন। তাহলেই সরকারি সম্পদ বাঁচবে।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগ
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগ

জানা গেছে, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ির রেঞ্জাধীন ফুলছড়ি বনবিটে ( ফুলছড়ি মৌজার আরএস ২৪৯৫/২৫৯৪, বিএস দাগ নং-৫১৪৪) ২০০৪-২০০৫ সালে উডলটের আওতায় ৫০ হেক্টর বনায়ন সৃজন করা হয়। ওই বনায়নগুলো ৫০ জন উপকারভোগীর মাঝে অংশীদারিত্ব চুক্তিনামা মুলে বরাদ্দও দেয়া হয়। উক্ত বনায়ন রক্ষণাবেক্ষণের জন্য উপকারভোগীদের প্লট আকারে বুঝিয়েও দেন বনবিভাগ। বনায়নের গাছগুলো গত ২০১৬ সালে পূর্ণতা লাভ করে। তবে গত এক বছর আগেই প্রায় ৪০ হেক্টর বনায়নসহ বনভুমি বিক্রি হয়ে যায়। অবশিষ্ট ১০ হেক্টর বনায়নের মধ্যে গত কয়েক মাসে আরো ৩ হেক্টর বনভুমি সহ বনায়ন বিক্রি হয়ে গেছে। সেখানে শতশত বাড়িঘর গড়ে উঠেছে। অবাধে রোহিঙ্গাদের বসতি ঘেড়েছে বনভুমিতে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বনবিভাগের লোকজন ও অংশীদারগণ আতাঁত করেই প্রথমে বনায়নের গাছ সাবাড় করে গোপনে বিক্রি করে দেন। এরপর ধুধু মরুভুমিতে পরিণত করা বনভুমিগুলো প্লট আকারে প্রতি একর ১৫ লাখ টাকা দামে বিক্রি করা হয়েছে। গত বছর জানুয়ারীর আগেই প্রায় ৪০ হেক্টর বনায়ন ও বনভুমি বিক্রি হয়ে গেছে।

অবশিষ্ট ১০ হেক্টর বনায়নের পূর্ণতা লাভ করা গাছগুলো নিলামে বিক্রির জন্য গত বছর বনবিভাগের পক্ষ থেকে গনণা করে নাম্বারিং করা হয়েছে। কিন্তু রহস্যজনক ভাবে বনবিভাগের উদ্যোগে টেন্ডার না দেয়ার কারণে কতিপয় বনকর্মী, কাঠ চোরাকারবারি ও কিছু অংশীদার মিলে নিজেদের তত্ত্বাবধানে রাতে আধাঁরে ইতোমধ্যে অন্তত সাত শতাধিক গাছ কেটে পাচার করেছে। সাবাড় করা বনভুমি প্লট আকারে শতক হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে প্রায় সাত’শটি গাছ নিধন হয়েছে এবং ৩ হেক্টর ৩০টি প্লট আকারে বিক্রি করায় সেখানে নতুন নতুন ঘর তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাজার দর অনুযায়ী প্রায় ৪৩ হেক্টর বনভুমি ও বনায়নের দাম অন্তত ৩০ কোটি টাকা। এসব বনভুমি উদ্ধারের কোন সম্ভাবনাও নেই। এসব কাজে স্থানীয় বনবিট কর্মকর্তা ও রেঞ্জ কর্মকতার সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানা গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ফুলছড়ি বনবিট অফিসের প্রায় এক থেকে দেড় কিলোমিটার দুরত্বে অবস্থিত ২০০৪-২০০৫ সালের ৭ হেক্টর বনায়ন এখন কালের স্বাক্ষী হিসেবে রয়েছে। সেগুলোও অরক্ষিত। অংশীদারদের অভিযোগ বনকর্মীদের অবহেলার কারণে এই ৭ হেক্টর বনায়ন ও বনভুমি অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। অবশ্য বনকর্মীদের ভাষ্য মতে নতুন ঘরবাড়ি নির্মিত ব্যক্তিদেরকে অবৈধ দখলদার বললেও তাদের বিরুদ্ধে বনবিভাগ এ পর্যন্ত আইনগত কোন ব্যবস্থা নেয়নি।

আরো জানা গেছে, ফুলছড়ি রেঞ্জের খুটাখালী বনবিটের অধীনে সেগুন বাগিচা বাগানিপাড়া এলাকায় ২০০৭/০৮ সালের উডলট ও ২০০৮/০৯ সালের আগর বাগানের ৩০ একর জায়গা দখল হয়ে গেছে। গাছ কাটতে কাটতে খুটাখালীর সেগুন বাগিচা এখন প্রায় বিরানভূমি। বাগানের ফাঁকে ফাঁকে অবৈধ বসতি ছাড়া আর কিছুই নেই। ওঠানো হচ্ছে স্থায়ী দালান-কোঠা। অভিযোগ রয়েছে, প্রতি বসতি থেকে নেওয়া হয়েছে ন্যুনতম ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। মেধাকচ্ছপিয়া বনবিটেরও একই হাল।
ঠাণ্ডাছড়ি মধুশিয়া এলাকার শতবর্ষি গর্জন বাগান থেকে ইতোমধ্যে ২০০ এর বেশি ‘মাদার ট্রি’ কাটা হয়েছে। সংরক্ষিত বনেও ঢুকে পড়েছে মানুষ। নির্মিত হচ্ছে বসতঘর-স্থাপনা। গত কয়েক বছরে খুটাখালী বন বিট এলাকা থেকে অন্তত ৩০ হাজার গর্জন গাছ উজাড় হয়ে গেছে। এসব দখলের পেছনে স্থানীয় বিট কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

তবে ‘সব অভিযোগ সত্য নয়’ বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত ফুলছড়ি বনবিট কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘২০০৪-২০০৫ সালের উডলট এক দিনে দখল হয়নি। অবৈধ ঘরবাড়ি নির্মাণের সমস্যা দীর্ঘদিনের। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন সময় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। দখলকারীদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি ও মামলাও রয়েছে।’ ফুলছড়ি বনবিটের উডলট ৪৩ একর জায়গা দখল করে নেওয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করে বলেন, ‘স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী দখল করে নিতে চেষ্টা করেছিল। তাদের প্রতিহত করা হয়েছে।’

ফুলছড়ি রেঞ্জের অফিসের ১০০ গজের মধ্যে বন বিভাগের জায়গা দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে বসতঘর ও দোকানপাট। ‘ফ্রি স্টাইলে’ দখলযজ্ঞ চললেও মাথা ব্যাথা নেই ‘বস’দের। স্থানীয় একটি সুত্রের দাবি, এখানে একটি বাড়ি করার জন্য বন বিভাগের এক কর্মকর্তাকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। ইসলামাবাদ-ইসলামপুর মধ্যবর্তী শাহ ফকির বাজারে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে অসংখ্য দোকান ঘর। নির্মিত হচ্ছে বসতি। সেখানেও জড়িত রয়েছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। নাপিতখালী বনবিটের অধীন ২০০৫/০৬ সালের ‘উডলট’ বাগানের কোনও চিহ্নই এখন আর নেই। একই সঙ্গে সামাজিক বনায়ন ও বনাঞ্চলের পাহাড়ও শেষ হয়ে যাচ্ছে। ৭/৮টি পাহাড় কেটে সমান করে ফেলা হয়েছে।

এসব দখলবাজদের সঙ্গে ফুলছড়ি রেঞ্জ অফিসার কাজি মোকাম্মেল কবির ও বিট কর্মকর্তাদের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাদের মতে, ডিএফও কেরামত আলী মল্লিক যোগদানের পরপরই বিভিন্ন রেঞ্জ ও বনবিটকর্তারা বেপরোয়া হয়ে পড়েন। গত এক বছরে বন বিভাগ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দখলবাজচক্রের সঙ্গে তার গভীর সখ্যতা থাকায় দৃশ্যমান অভিযানে নামেননি বনকর্মীরা। এ সুযোগে বনের জায়গা বেহাত হয়ে যাচ্ছে দিন দিন।
অভিযোগ উঠেছে, প্রকৃতি ধ্বংস করা হলেও পরিবেশ অধিদফতরের খবর নেই। মাঝে মধ্যে ‘লোক দেখানো’ অভিযানে নামে বন বিভাগ। পরে ‘মোটা অংকের উপঢৌকনে’ ম্যানেজ হয়ে যায় অভিযানকারীরা।

তবে ফুলছড়ি বনবিট কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বনভুমি ও বনাঞ্চল রক্ষা করতে গিয়ে অবৈধ দখলদারদের সাথে অনেকবার সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে কয়েকটি। এছাড়াও অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি। এছাড়াও ৫০ হেক্টর প্লট প্রাপ্ত উপকারভোগীদের চুক্তিনামা কেন বাতিল করা হবে না এবং ক্ষতিপূরণ কেন আদায় করা হবেনা মর্মে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ( পত্র নং-১৭ফুলবি/১৫) কারণ দর্শানোর নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে।

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের আওতাধীন বিভিন্ন বন থেকে দুর্বৃত্তরা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। প্রায় প্রতিদিনই চান্দেরগাড়ি, ডাম্পার, ট্রাক নিয়ে মহা-সড়ক হয়ে কাঠ পাচার হলেও বনবিভাগের স্পেশাল টহল দল সহ সংশ্লিষ্ট বনকর্মকর্তারা রহস্যজনক ভূমিকা পালন করছেন। সংঘবদ্ধ গাছ খেকোরা সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে সাবাড় করলেও ঘুম ভাঙছে না বনরক্ষকদের।

এদিকে, চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী মেধাকচ্ছপিয়া ন্যাশনাল পার্কের শতবর্ষী ‘মাদার ট্রি’ কেটে সাবাড় করছে বনখেকোরা। বনখেকোদের পাশাপাশি স্থানীয় বন জায়গিরদারদের সখ্যতায় বননিধনযজ্ঞ অব্যাহত রয়েছে। এ কারণে জাতীয় উদ্যানটি দিন দিন বৃক্ষশূন্য হতে চলেছে।
একটি সুত্র মতে, প্রায় ৫ শত কোটি টাকা মূল্যে ১০ হাজারেরও বেশি মাদার ট্রি রক্ষার জন্য আর্ন্তজাতিক এনজিও অরন্য ফাউন্ডেশন এবং কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগ প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বন ভক্ষক ও বন বিট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও হেডম্যানদের সহযোগিতায় একের পর এক মাদার ট্রি কাটা হচ্ছে। এতে প্রাকৃতিক ঐতিহ্যবাহী গর্জন বাগানটি উজাড় হয়ে যাচ্ছে।

খুটাখালি থেকে অন্তত ৫ কিলোমিটার পূর্বে গেলে বিশাল বাগান। সারি সারি করে দাঁড়ানো ‘মা গর্জন’ গাছগুলো। গর্জন গাছের বংশ বিস্তারের জন্য ১৯৫২ এবং ১৯৯৩ সালে সৃজিত হয় এ বাগান। কিন্তু বর্তমানে বাগানের অবস্থা খুবই করুণ। দূর থেকে চোখে পড়া ‘মা গর্জন’র বাগানে ঢুকলে দেখা যাবে ‘প্রকৃত চিত্র’। হাজারেরও বেশি ‘মা গর্জন’ গাছ নির্মমভাবে কেটে ফেলা হয়েছে। পড়ে আছে গাছের গোড়ালিগুলো। ইউনিয়নের হরিখোলা, ঘেছখোলা, খেলির বিল, গুল ডেবা, মুধর শিয়া ও গয়ালমারায় ‘মা গর্জন’ বাগানের একই দশা। বাগানের এ পরিস্থিতি পেছনে স্থানীয়রা এক ‘ হেডম্যান, ভিলেজার ও সংঘবদ্ধ গাছ চোর সিন্ডিকেট’কে দায়ী করেছেন।
এব্যাপারে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা কেরামত আলী মল্লিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বনভুমি ধ্বংস ও বনভুমি বিক্রির ব্যাপারে দায় এড়িয়ে সব দোষ রেঞ্জ ও বিট কর্মকর্তার উপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন।

তিনি আরো দাবী করেন, ফুলছড়ি বনবিটের অধীনে বনাঞ্চল থেকে গাছ পাচার, বনভুমি বিক্রি সহ নানান অভিযোগ লিখিত ভাবে পাওয়া গেছে। আনিত অভিযোগ তদন্তের জন্য সহকারী বন সংরক্ষককে (ফুলছড়ি) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি সরেজমিন তদন্ত করছেন বলে জানিয়েছেন এই বন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.