সিটিনিউজ ডেস্ক:: চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান আবদুচ সালামের নিয়োগ, পুনঃনিয়োগ ও পদে থাকার বৈধতা প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যরিস্টার শাকিব মাহাবুব। তিনি আদালতকে বলেন, সিডিএ অধ্যাদেশ ১৯৬৯ অনুসারে চেয়ারম্যান পর্বে প্রথমবার নিয়োগের পর একবার শুধু বর্ধিত করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু চউকের বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুচ ছালামকে চারবার পুনঃনিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা অনুসারে সরকারের কোনো কর্মচারী প্রাইভেট ব্যবসা করতে পারবেন না। কিন্তু তিনি ওয়েল গ্রুপের ৫৭টি কোম্পানির পরিচালক। এমনকি তিনি সরকারি পদে থেকে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধক্ষ্য পদেও আছেন। যা সরকারি কর্মচারী বিধিমালার লঙ্ঘন।
শাকিব মাহবুব আদালতকে জানান, ২০০৯ সালের ২৩ এপ্রিল সিডিএ চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম নগর কমিটির কোষাধ্যক্ষ আবদুচ সালাম। এরপর ২০১১, ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে তাকে পুনঃনিয়োগ দেয়া হয়।
চলতি বছরের ২২ এপ্রিল তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। এর মধ্যে ২০ মার্চ গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন সিডিএ চেয়ারম্যান হিসেবে আবদুচ ছালামকে পুর্ননিয়োগ দিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর একটি ডিএ দেন। এ অবস্থায় চট্টগ্রামের বাসিন্দা আবু সাঈদ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি হাইকোর্টে এ রিট দায়ের করেন। আদালত এক সপ্তাহের মধ্যে জনপ্রশাসনসচিব, গণপূর্তসচিব ও সিডিএ চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, সিডিএ চেয়ারম্যান হয়ে রাজনৈতিক দলের পদে থাকা নিয়ে কোনো বাধা নেই। তাছাড়া আমি কোনো প্রাইভেট ব্যবসার সাথে জড়িত নই। আর নিয়োগ-পূনঃনিয়োগ নিয়ে তিনি কোনো কিছু বলতে রাজি হননি। তবে যথাসময়ে রুলের জবাব দেবেন বলে জানান তিনি।
