সিটিং সার্ভিস বন্ধ হলেও ভাড়া নৈরাজ্য কমেনি: যাত্রীকল্যাণ সমিতি

0
নিজস্ব প্রতিবেদক::অস্বাভাবিক গলাকাটা ভাড়া আদায়ের ফাঁদ হিসেবে ব্যবহ্যৃত সিটিং সার্ভিস,গেইটলক,সময় নিয়ন্ত্রয়,কম স্টপেজ সার্ভিস,স্পেশাল সার্ভিস ইত্যাদি বাহারী নাম ব্যবহার করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও দরজা বন্ধ করে বাস চলাচলের কারণে নগরীতে যাত্রী দূর্ভোগ চরমে পৌছালে গনমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে সরকার ও মালিক সমিতি ঘোষিত নিদের্শনা অনুযায়ী আজ থেকে কতিত এই  সিটিং সার্ভিস  বন্ধ করা হলেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠিক আগের মত বহাল থাকায় যাত্রী দূর্ভোগ আরো বেড়েছে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
সংগঠনটির অভিযোগ, আসন বিবেচনা করে বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হলেও প্রতিটি বাসে নিবন্ধনের অতিরিক্ত  ১০ থেকে ১৫ টি আসন সংযোজন, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে লক্কড় ঝক্কড় যানবাহনে যাত্রী বহন করে যাত্রী সাধারণের সাচ্ছন্দে যাতায়াতের পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে। এসব বাসে সিটিং এর নামে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করায় যাত্রী কল্যাণ সমিতি ও গনমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে এই সার্ভিস বন্ধের ঘোষনা দেওয়া হলে ও তা বাস্তবায়নে নানা বাহানা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির আজ ৪টি পর্যবেক্ষক টিম নগরীর বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ শেষে গনমাধ্যমে প্রেরিত এক প্রেস বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন।
পর্যবেক্ষণ কালে দেখা গেছে সকাল ৬ টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত  নগরীর বিভিন্ন রুটে অধিকাংশ মালিক তাদের যানবাহন বন্ধ রেখেছে। যেসব যানবাহন চলেছে সেগুলো লোকাল হিসেবে যাত্রী বোঝাই করে যাতায়াত করলে ও সিটিং এর মত অতিরিক্ত  ভাড়া আদায় করেছে।  সরকার ও  ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ঘোষিত যাত্রী বান্ধব এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নগরীর যাত্রী সাধারণকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতি মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেন, সিটিং সার্ভিসের নামে দরজা করে বাস চলাচল বন্ধে এবং সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে নগরীর বিভিন্ন স্পটে বিআরটিএর ভ্রাম্যমান আদালত, কর্তব্যরত পুলিশ সাজের্›ট, বিআরটিএ সদর কার্যালয় ও যাত্রী কল্যাণ সমিতির কাছে অভিযোগ করার আহবান জানান।
এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.