বোয়ালখালী প্রতিনিধি::বোয়ালখালীতে যুবলীগ নেতা মো. আসাদুজ্জামান হাছানের(৩০) বাড়ী থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় থানার উপ-পরিদর্শক মো. মাহমুদুল হাসান মিল্টন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
গ্রেফতারকৃত আসাদুজ্জামান হাছানকে মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহ্ উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি জানান, গত ২৭ আগস্ট খুলনা জেলার খুলনা থানায় দুইটি দোকানের মোবাইল চুরির ঘটনায় মামলা (মামলা নং ৩৯, ধারা ৪৬১/৩৮০ দ:বি:) দায়ের হয়। এরই প্রেক্ষিতে মো. আসাদুজ্জামান হাছানের ছোট ভাই কামরুজ্জামান হাছান (২২) কে শনাক্ত করে খুলনা মেট্রো পুলিশ।
এ মামলার সূত্র ধরে সোমবার (০৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার পোপাদিয়া ইউনিয়নে এ যুবলীগ নেতার মো. আসাদুজ্জামান হাছানের বাড়ী ঘেরাও করে তল্লাশি চালানো হয়। খুলনা মেট্রো পলিটন পুলিশ (কেএমপি) ও বোয়ালখালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে দেশীয় তৈরি দুটি এলজি, ১১ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ওয়াকিটকি ও একটি খেলনার পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া চোরাই মোবাইল উদ্ধার ও তথ্য উদ্ঘাটনে খুলনা থানার পুলিশ মো. আসাদুজ্জামান হাছানের ছোট ভাই কামরুজ্জামান হাছান (২২) কে নিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে জানান ওসি।
গ্রেফতারকৃত দুই সহোদর মো. আসাদুজ্জামান হাছান ও কামরুজ্জামান হাসান বোয়ালখালীর পোপাদিয়া ইউনিয়নের ওমর সওদাগর বাড়ীর মো. শহিদুল আলমের ছেলে। আসাদুজ্জামান হাছান উপজেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মো. আসাদুজ্জামান হাছান মোটর সাইকেল চোরচক্রের সক্রিয় দলপতি। তার ছোট কামরুজ্জামান হাসান এলাকায় না থাকলেও তার অবস্থান ছিল সন্দেহজনক। তবে সে প্রায় খুলনা আসা যাওয়া করতো।
এর আগে ২০১৬ সালে ৫ মে হাটহাজারী থানা এলাকা থেকে ৩টি মোটর সাইকেল চুরির ঘটনার তদন্তে বেরিয়ে আসে এ যুবলীগ নেতার নাম। পরে ওই বছরের ৩১ আগস্ট বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার কালুরঘাট এলাকা থেকে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
এছাড়া এলাকায় মোটর সাইকেল চুরি, ইয়াবা ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধের কারণে আসাদুজ্জামান হাছানের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর শনিবার পোপাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম জসিম সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন।
