চট্টগ্রামের রাজনীতিতে পেশীশক্তির একটি গোষ্ঠী উত্থান- ছাত্রলীগ
নিজস্ব প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম : বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে সুদীপ্ত, দিয়াজ ও সোহেলের হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ শনিবার ২৮ অক্টোবর বিকেলে সদরঘাট থানা ছাত্রলীগের এক বিক্ষোভ সমাবেশ সদরঘাট থানা মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশ মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মহানগর ছাত্রলীগ নেতা মো: সোলায়মান, আবদুস সালাম মাসুম, মো: জুয়েল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রাজীব হাসান রাজন, মো: তোফায়েল আহমেদ রয়েল, শাহ নেওয়াজ রাজীব, পাভেল ইসলাম এবং বর্তমান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা ফরহাদ আলম তপু, মহানগর ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মো; তালেব আলী, নাজমুল হাসান রুমি, একরামুল হক রাসেল, জয়নাল উদ্দিন জাহেদ, নাঈম রনি, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রনি মির্জা, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী রনি, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আবু তালেব রনি, হাসান আজম সবুজ, আবুল মনসুর টিটু, মিয়া মো: জুলফিকার, শাহরিয়ার হাসান, ওয়াহিদুল রহমান কিরন, উপ সম্পাদক এম আর হৃদয়, সহ সম্পাদক কায়সার মো: রাজু, আজিজুল হক আজিজ, কাঁলাচাঁদ ভট্টাচার্য্য সীমান্ত, আবদুল নোমান রুবেল, ইফতেখার অপু, সদস্য ফয়সাল অভি, ইসমাইল হোসেন বাতেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামের রাজনীতিতে পেশীশক্তি নির্ভর একটি গোষ্ঠী উত্থান ঘটেছে। দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই উৎকৃষ্ট অংশটির কাছে সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে দলীয় নেতাকর্মীরাও জিম্মি হয়ে পড়েছে। এই উৎকৃষ্ট অংশটি নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য এলাকায় এলাকায় তৈরি করেছে সন্ত্রাসী বাহিনী। এই বাহিনীর হাতেই খুন হয়েছে ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান, যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান বাদল, ছাত্রলীগ নেতা নাসিম আহমেদ সোহেল এবং সর্বশেষ মহানগর ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক সুদীপ্ত বিশ্বাস।
এ সময় বক্তারা আরো বলেন, গণমাধ্যমে বরাবরই খুনের নির্দেশদাতাদের নাম ও পরিচয় উঠে এসেছে। কিন্তু সদরঘাট থানা ওসি ও ওসি তদন্ত সহ প্রশাসনের একটি অংশ মূল খুনিকে আড়াল করতে বির্তকিত ভূমিকার কথা মিডিয়াতে উঠে এসেছে।
মূল খুনিদের সাথে যোগসাজশে পুলিশ কয়েকজন ছিচকে সন্ত্রাসীকে আটক করে ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দির নামে মূল খূনিকে বাঁচাতে কাজ করছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, পুলিশকে এই মামলা সুষ্ঠ তদন্ত শেষ করতে হবে।
মূল সন্ত্রাসীকে বাদ দিয়ে ছিচকে সন্ত্রাসীদের ফাঁসিয়ে দেওয়ার মত হট্টকারী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন। নয়ত সুদীপ্ত বিশ্বাসের রক্তের মত আবারো রক্তে রঞ্জিত হবে রাজপথ। যার দায়ভার নিতে হবে পুলিশ প্রশাসনকে। এসব সন্ত্রাসী ও প্রকৃত আসামীদের খুঁজে গ্রেফতারের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
