নিজস্ব প্রতিবেদক: নজিরবিহীনভাবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। কে বা কারা এই ফটক বন্ধ করেছে তা জানে না পুলিশ ও চমেক প্রশাসন। তবে সম্প্রতি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘাতের জেরে এই ফটক বন্ধের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
ভয়ে শিক্ষার্থীরা মূল ফটক বন্ধ করে দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জালাল উদ্দিন। তবে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খুলে দেওয়া হয়েছে ফটক।
আকস্মিকভাবে মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়ার পর খোলা আছে একমাত্র জরুরি বিভাগের ছোট প্রবেশপথটি। এতে রোগীদের বহনকারী গাড়িসহ সব ধরনের পরিবহন চমেক হাসপাতালে ঢুকতে বেগ পেতে হচ্ছে। বিপাকে পড়তে হচ্ছে রোগী, তাদের স্বজন এবং হাসপাতালের চিকিৎসক-কর্মকর্তাদের।
জানতে চাইলে চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, সকালে (বুধবার) কে বা কারা মূল গেইটে তালা দিয়ে চাবি নিয়ে চলে গেছে। কারা তালা দিয়েছে সেটা কেউ বলতে পারছে না। সকাল ৯টার দিকে আমরা ঘটনা জেনেছি। এখন আমরা তালা খোলার ব্যবস্থা করছি।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, মূল ফটকের সঙ্গে থাকা ছোট দুটি ফটকেও তালা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে গাড়ি যেমন ঢুকতে পারছে না, তেমনি লোকজন হেঁটেও ভেতরে প্রবেশ করতে পারছেন না। ফটকের সামনে জড়ো হওয়া লোকজনকে এসময় অসহায়ত্ব প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ঘটনা শোনার পর থানা থেকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।
এর আগে গত সোমবার (২০ নভেম্বর) নগরীর গোলপাহাড় মোড়ে দুই গ্রুপে সংঘাতের ঘটনা ঘটে। চমেক ছাত্রলীগ ওগোলপাহার কেন্দ্রীক স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মীদের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর জেড়ে চমেকের মুল ফটকে তালা ঝুলানোর ঘটনা ঘরট বলে স্থানীয়দের ধারনা।
