পটিয়ায় আনন্দ শোভাযাত্রা

0

সুজিত দত্ত, পটিয়া প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের পটিয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন জাতিসংঘের ইউনেস্কোর ইন্টারন্যাশনাল মেমোরী অব দ্যা ওয়াল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে বিশ্ব প্রামান্য দলিলের স্বীকৃতি পাওয়ায় পটিয়া উপজেলা প্রশাসন ও জেলা জজ আদালত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সরকারী আইনজীবীদের উদ্যোগে পৃথক পৃথক আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়।

যুগ্ম জেলা জজ আদালত কতৃক সারা দেশের ন্যায় শনিবার ২৫ নভেম্বর একযোগে সকাল ১০টায় আদালত প্রাঙ্গন থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রাটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে আবার আদালত অঙ্গনে এসে শেষ হয়। পরে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহকারী জজ ফরিদা ইয়াসমিন, সিনিয়র সহকারী জজ মুনির হোসেন, সহকারী জজ আরাফাতুল রাকিব, পটিয়া বারের সাধারণ সম্পাদক দেবেশ গুপ্ত, বারের সাবেক সভাপতি ও পিপি বদিউল আলম, সাবেক সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক সস্পাদক আশীষ কুমার চৌধুরী, সাবেক সভাপতি অজিত কুমার দে, সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি কাজী নুর মোহাম্মদ এডভোকেট কামাল উদ্দিন, কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে নাজির দিপংকর দে, কানু দে প্রমুখ। এতে সভাপতির বক্তব্যে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী। সেদিন তিনি একাত্তরের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ কালজয়ী ভাষনের মাধ্যমে ৭ লক্ষ নিরস্ত্র বাঙ্গালী উজ্জীবিত করে মহান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন।

আজ তা জাতি সংঘের ইউনেস্কো কতৃক বিশ্ব প্রামান্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি বাঙ্গালী জাতির জন্য গৌরবের। আজ সরকারী ভাবে এ ঐতিহাসিক অর্জনে আনন্দ শোভাযাত্রা সমগ্র বাঙ্গালী জাতিকে তার জাতি সত্ত্বারপ প্রতি শ্রদ্ধাবোধ যেমন সৃষ্টি করবে তেমনি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বীপ্ত করবে। এছাড়া ও উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত শোভাযাত্রাটি উপজেলা পরিষদ থেকে বের হয়ে তা উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে।

এতে অগ্রভাগে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মিল্টন রায়, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ, পৌর মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশীদ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মইন উদ্দিন মজুমদার, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোতাহার বিল্লাহ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুল মতিন, তথ্য কর্মকর্তা কামরুজ্জমান সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, এবং পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।

এতে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার অবদান স্বশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করে বলা হয়, ৭ মার্চের ভাষনেই জাতি সেদিন উদ্বীপ্ত হয়। তাই যত দিন পৃথিবী থাকবে বঙ্গবন্ধু স্ব-মহিমায় চির অম্লান থাকবে।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.