‘পিলখানা মামলার রায়ে ন্যায়বিচার পায়নি’

0

সিটিনিউজ ডেস্ক :: রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে হত্যাকাণ্ডের মামলায় হাইকোর্টের রায়ে ন্যায়বিচার পাননি বলে অভিযোগ করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।

পরে নিজের প্রতিক্রিয়ায় আসামিপক্ষের এই অসন্তোষের বিষয়ে কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিবেচনায় নেওয়া উচিত যে ৫৭ জন নির্দোষ সেনা কর্মকর্তা সম্পূর্ণ নির্দোষ ছিলেন। তাঁদের যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তা ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম অপরাধ। সরকারের বুদ্ধিমত্তায় খুব স্বল্প সময়ে আসামীদের বিচারের আওতায় এনে দণ্ড দেওয়া হলো।

তবে রায়ে সন্তুষ্ট না অসন্তুষ্ট সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি অ্যাটর্নি জেনারেল।

তবে এই মামলার অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পাওয়া মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘রায়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি। নারকীয় এই তাণ্ডবের আসামিদের বিচারের আওতায় এনে সাজা দেওয়া হয়েছে।’

হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছেন এই রায়ের পর এখন পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে জানতে চাইলে মাহবুবে আলম বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিসহ অন্য আসামিরা চাইলে আপিল করতে পারবেন এবং আপিল বিভাগেই এই চূড়ান্ত রায় নির্ধারণ হবে। আপিল করার পর দণ্ড স্থগিত হবে। তবে আপিল না করা হলে রায় প্রকাশের পর তা কার্যকর করা হবে।

এর আগে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ন্যায়বিচার পাইনি। আসামিরা যদি আপিল দায়ের করে আশা করি ন্যায়বিচার পাবে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর হাইকোর্টে যে রায় দেওয়া হলো এভাবে রায় ঘোষণা হতে পারে না। রাষ্ট্রপক্ষ নিজেরাও এ ধরনের রায় প্রত্যাশা করেনি। প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হয়েছে।’

বিডিআর সদর দপ্তরে হত্যাকাণ্ডের মামলায় ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এর আগে ২০১৩ সালে এই মামলায় ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন নিম্ন আদালত। এ ছাড়া ১৬০ জনের মধ্যে ১৪৬ জনের সাজা বহাল রাখা হয়। একইসঙ্গে ১৮২ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখেন আদালত।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.