নিজস্ব সংবাদদাতা,চন্দনাইশ :: সংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এম.পি বলেছেন, অবকাঠামোগত উয়ন্ননে আটকে না থেকে মানব সম্পদ উন্নয়নের কথা ভাবতে হবে। একজন আদর্শ যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষক, অভিভাককে ভূমিকা রাখতে হবে।
বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় জিপিএ-৫ এর পিছনে না ছুটে প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। উচিগত বিদ্যা শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরকে সংস্কৃতি,সাহিত্য ও ক্রীড়ায় মনোযোগী করতে হবে। পড়ালেখার পাশাপাশি গান, নাচ,খেলাধুলা চর্চার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
আয়-রোজগার করতে প্রতিগত বিদ্যার পাশাপাশি সংস্কৃতিক ও ক্রীড়া জগতে সফল হতে পারলে দেশ জুড়া খ্যাতি অর্জন করা সম্ভব। বিদ্যার পিছনে ছুটে অনেকে মাদকসক্ত ও জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাকিব আল হাসান,শিল্পী মমতাজ দেশ জুড়া স্বীকৃতি পেয়েছেন। শিল্প মমতাজ সংসদ সদস্য হয়েছেন। তাদের লেখাপড়া সম্পর্কে তথা সাটিফির্কেট কেউ খুজছে না। তাদের খ্যতিই তাদেরকে দেশব্যাপী পরিচিতি করেছে। বর্তমান শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া সংস্কৃতিতে পিছয়ে পড়েছে। পড়ালেখার চাপে প্রকৃত প্রতিভা চাপা পড়ে যাচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার চাপে পড়ে এক সময় মাদকাশক্ত ও জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। দেশে শিক্ষিত হারের পাশাপাশি বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বই নিয়ে স্কুলে আসে,পাঠ্যসূচীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। সংস্কৃতি ও ক্রীড়ার সুযোগ পাচ্ছে না।
প্রধান মন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের পরিনত হয়েছে। জনগনের মাঝে স্বচ্ছলতার চেহারা ভেসে উঠেছে। বাঙ্গালিরা মুক্তিযোদ্ধার চেতনার বিশ্বাসী। সে বিশ্বাসকে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে
অভিভাবকদের ধারণা সাটিফির্কেট পেলে একটি ভালো চাকরি পাবে। আমাদের সেই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। শিক্ষকদের কাজ হচ্ছে শিক্ষার্থীদের যোগ্য নাগরিক ও আদর্শ মানুষ হিসাবে গড়ে তোলা কিন্তু এখন শিক্ষাঙ্গনে পরীক্ষার ফলাফলের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বার্ষিক ক্রীড়া সংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ও অনুশীলন হচ্ছে না। তাই দেশের শিক্ষাঙ্গনের এই অবস্থা।
মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারি হাশিমপুর এম.এ. কে. ইউ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণ জয়ন্তীর ২য় দিনে বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি দিদারুল আলম সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আসাদুজ্জামান নুর ।
প্রধান আলোচক ছিলেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাহিত্যিক, কলামিষ্ট আবুল মোমেন,সহকারী এটর্ণী জেনারেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন, এড. মাসুদ আলম চৌধুরী, এড. এস.এম শওকত হোসেন চৌধুরী, আবছার উদ্দীন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তাফক আহমদ ফারুকী।
সঞ্চালনায় ছিলেন অশ্রুকনা বড়–য়া ও এড. জয়দত্ত বড়–য়া। আলোচনা শেষে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের দিন ব্যাপী আড্ডা ও মনোজ্ঞা সাংস্কতিক অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়।
