বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম সমাবর্তনে যা ছিল

0

মো. দেলোয়ার হোসেন, চন্দনাইশঃঃ  চন্দনাইশের বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ম সমাবর্তন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মাসব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি  গ্রহন করে। অনুষ্ঠানের আগের দিন রাতে ক্যাম্পাসে আলোকসজ্জাসহ ব্যাপক দৃষ্টিনন্দন ব্যানার, ফেস্টুন,  পোস্টার, রং-বেরং এর পতাকা দিয়ে সাজানো হয়।

শিক্ষার্থীরা তাদের ক্যাপ, গাউন পেয়ে আনন্দে মেতে উঠেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, অন্যান্য অথিতিদের মধ্যে দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি  আলহাজ্ব মোসলেম উদ্দীন আহমেদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুৎফুর রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তবে এসকল ব্যক্তিবর্গদের বক্তব্য বা মঞ্চে সুযোগ হয়নি।

গত ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে সমাবর্তন অনুষ্টানকে কেন্দ্র করে অংশ গ্রহনকারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে উৎসব মুখর ছিল বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ব্যবসা শিক্ষায় (বিবিএ,এমবিএ) ৪ হাজার ৮’শত ৪২ জন,আইন বিভাগে- ১ হাজার ৫’শ ৮৪ জন,কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং- ২’শ ৩৩ জন,ইংরেজীতে-৩’শ ৩১জন, ফার্মেসীতে-৩’শ ৪৭ জনসহ ৭ হাজার ৩’শ ৩৭জন শিক্ষার্থী সনদ পাচ্ছেন।

এ সমাবর্তন অনুষ্টানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে চ্যান্সলর গোল্ড মেডেল-৪, ভাইস-চ্যান্সলর গোল্ড মেডেল-৫, চেয়ারম্যান গোল্ড মেডেল-৪ জনসহ ১৩ জনকে  সম্মাননা প্রদান করা হয়। এদের মধ্য ৮ জনই নারী।  ২০১২ সালে বিবিএতে ৩.৯৯ পয়েন্ট পেয়ে চ্যান্সলর গোল্ড মেডেল প্রাপ্ত পাপড়ি বড়ুয়া বললেন, চিন্তা করি নাই, সেরা হব। এত বড় সম্মান পেয়ে নিজের খুব আনন্দ লাগছে এবং নিজেকে ভাগ্যবতি মনে করছি।

ভাইস-চ্যান্সলর গোল্ড মেডেল প্রাপ্ত ২০১৫ সালের এমবিএতে ৩.৯৮ প্রাপ্ত ফাহমিদা আকতার বলেছেন, স্বপ্ন ছিল সেরাদের মধ্যে সেরা হব। অবশেষে পরিবারের সকলের দোয়ায় সেরা হয়েছি। এটাই গৌরবের। ২০১৬ সালের আইন বিভাগের নীলাঞ্জনা, বিবিএ শামীম হোসেন বললেন, মানুষের জীবনে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সনদ নেওয়া এটা গৌরবের।

আমরা বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে ১ম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। এমবিএতে ৪.০০ প্রাপ্ত সোমিক দত্ত বললেন, ভাবতেই পারিনী এত বড় সম্মানের অধিকারী হব। ফার্মেসীর ৩.৯৮ প্রাপ্ত তাবাসুম সোহানি, ৩.৮ প্রাপ্ত ফাতেমা তুজ জোহরা বললেন, জীবনের এ রকম প্রাপ্তি অবশ্যই ভাগ্যের। অনেকের মধ্যে আলাদা হয়ে শিক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্টান হিসেবে এ এলাকাসহ সারা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা এখানে তাদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করে সনদপত্র সংগ্রহের মাধ্যমে যোগ্যতা বলে তাদের অবস্থান তৈরি করে দেশের কাজ করে যাবেন। এটাই ছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সাথে সাংবাদিকেরা কথা বলতে চাইলে তিনি কোন রকম সুযোগ না দিয়ে চলে যান।

 

 

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.