অর্থ ও বাণিজ্য, সিটি নিউজ :: পরস্পর যোগসাজশে একটি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ উত্তোলন করে প্রায় ৯৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের তিন সাবেক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদক।
সোমবার (০৬ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সোনালী ব্যাংকের সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মানিক চন্দ্র মণ্ডল, একই ব্যাংকের খুলনা প্রিন্সিপ্যাল অফিসের বর্তমনা সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সিরাজুল ইসলাম ও দৌলতপুর শাখার সাবেক কর্মকর্তা অজিত কুমার সরকার।
দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে দৌলতপুর থানায় গত বছর দুদক একটি মামলা করে। ওই মামলায় মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্স এর অনুকুলে ১৬ অক্টোবর, ২০০৮ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত মোট ৪৯ কোটি ৬২ লাখ ১৪ হাজার ২৩৭ টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ উত্তোলন করেছেন। তারা প্রতারণা, জালিয়াতি ও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে সুদাসলে ব্যাংকের মোট ৯২ কোটি ৬৩ লাখ ৩১ হাজার ৭৫২ টাকা দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে আত্মসাৎ করেছেন।
(১) সনজিত কুমার দাস, স্বত্ত্বাধিকারী, মেসার্স ইস্টার্ণ ট্রেডার্স, খুলনা ইন্ডাস্ট্রিজ প্রিমিসেস লি. (ইস্পাহানী), ডিসি রোড, দৌলতপুর, খুলনা ।
(২) মো. মতিয়ার রহমান, প্রাক্তন গোডাউন কিপার, সোনালী ব্যাংক, দৌলতপুর কর্পোরেট শাখা, খুলনা, বর্তমানে- গোডাউন কিপার, সোনালী ব্যাংক, মহেশপুর শাখা, ঝিনাইদহ ।
(৩) মো. নজরুল ইসলাম, প্রাক্তন এজিএম, সোনালী ব্যাংক, দৌলতপুর কর্পোরেট শাখা, খুলনা, বর্তমানে-এজিএম, সোনালী ব্যাংক লি., জিএম অফিস, খুলনা।
(৪) মো. রুহুল আমিন, প্রাক্তন সিনিয়র প্রিন্সিপ্যাল অফিসার, সোনালী ব্যাংক, দৌলতপুর শাখা, খুলনা, বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত, পিতা-মৃত নৈমুদ্দিন মোড়ল, গ্রাম-দুর্জনী মহল, থানা-রূপসা, জেলা-খুলনা ।
