বেড়েছে আমিষের চাহিদা, কমেছে সবজির দাম

0

অর্থবাণিজ্য ডেস্ক : বর্তমান বাজারে সব ধরনের মাছ-মাংসের চাহিদা বেড়েছে। তবে সে হিসেবে দাম বেড়েছে সামান্য। পরিমাণে কম হলেও শীতকালীন সবজি বাজারে আসতে শুরু করায় কিছুটা কমেছে সবজির দামও।

চট্টগ্রাম নগরের রিয়াজউদ্দিন বাজারসহ বেশকিছু বাজার পরিদর্শনে এ তথ্য পাওয়া যায়। সবজির পাশাপাশি মাছ, মুরগি ও খাসির মাংসের চাহিদা বেড়েছে। তবে চাহিদা বেশি হলেও মাছ-মাংসের দাম তেমন বাড়েনি।

ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকায়। লেয়ার মুরগি ১৮০, পাকিস্তানি ২৪০-২৫০ টাকা। দেশি ৩২০-৩৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ২৮০-৩২০ টাকায়। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০০-৫৫০ টাকা, গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৪৮০-৫০০ টাকায়। প্রতি কেজি মাংস হাড়সহ ৪৫০ টাকায় এবং হাড়ছাড়া ৫০০-৫২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কিছুদিন আগেও সবজির বাজার ছিল বেশ গরম । ভাল সরবরাহে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৬৯ টাকা, বাঁধাকপি ৫০-৬০ টাকা, মূলা ৫০-৬০ টাকা, ঝিঙে ৫৫-৬৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৩৫-৪৫ টাকা, বেগুন ৫০-৬০ টাকা, কাকরোল ৭০ টাকা, ললিতা আলু-৩০ টাকা আর দেশি আলু ৩৫-৪০ টাকা, করলা ৪০-৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ -৩৫ টাকা, বরবটি ৪০-৫০ টাকা, শসা ৩০-৪০ টাকা, টমেটো ১২০-১৪০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ৮০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজিবিক্রেতারা বলছেন, সপ্তাহ দুই পরে বাজারে পুরোদমে শীতকালীন সবজি আসতে শুরু করলে সবজির দাম আরো কমবে।

বাজারে ছোট সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৬০০-৭০০ টাকায়। অপেক্ষাকৃত বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে এক হাজার টাকায়। ছোট-বড় ভেদে রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৬০০ টাকায়, রূপচাঁদা (কালো) ৩৫০-৫০০ টাকা, রূপচাঁদা (সাদা) ৬০০ থেকে হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোরাল জাতভেদে ৪০০-৫০০ টাকা, রুই মাছ ১৮০-৩০০ টাকা, কাতলা ১৮০-৩৮০ টাকা, চিংড়ি ৪০০-৭০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৬০ টাকা, লইট্টা ৮০-১০০ টাকা, কৈ ১৬০-২০০ টাকায়।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.