নিজস্ব সংবাদদাতা,চন্দনাইশ::চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলীতে স্ত্রী হত্যার দায়ে আবু তৈয়বের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা এবং আত্মহত্যার চেষ্টা করায় পৃথক মামলা দায়ের করেছেন তারই শ্বশুর নুরুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার বৈলতলী জাফরাবাদ এলাকায় গত ১০ জানুয়ারি দুপুরে নুরুল আলমের মেয়ে শাহীন আক্তার (৩৫) কে তার স্বামী ধোপাছড়ি মৃত টুনু মিয়ার ছেলে আবু তৈয়ব (৪৭) হত্যা করার অপরাধে শাহীনের পিতা নুরুল আলম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। একই সাথে শাহীনকে হত্যার পর নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে অভিযোগ এনে পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করেছেন তারই শ্বশুর নুরুল আলম।
আরও জানা যায়, আবু তৈয়ব বর্তমানে মুমুর্ষ অবস্থায় চমেক হাসপাতালের ১৯নং ওয়ার্ডের ৫২নং সিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সে সকল প্রকার খাওয়া-দাওয়া থেকে বিরত রয়েছে। কথা বলতে পারছে না বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত এস আই রিকন। তবে সে সামান্য সামান্য নড়াচড়া করছে বলে জানান তিনি। যেহেতু আবু তৈয়ব হত্যা মামলার আসামী, সেহেতু তাকে পুলিশ হেফাজতে রেখে চিকিৎসাধীন রয়েছে। গতকাল ১১ জানুয়ারি ময়না তদন্ত শেষে বিকালে শাহীনের লাশ তার পরিবার-পরিজনকে বুঝিয়ে দেয়। রাত সাড়ে ৭টার দিকে শাহীনের লাশ তার পিতার বাড়ীতে এসে পৌছলে স্বজনদের এবং তার সন্তানদের আহাজারীতে আকাশ ভারী হয়ে উঠে পরে রশিদিয়া মাদরাসা মাঠে নামাজে জানাযা শেষে মাদরাসা সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনার ঝড় উঠে।
