বিএনপি ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ডের পরিকল্পনা নিয়েছেঃ মেয়র নাসির
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিটি নিউজঃঃ চট্টগ্রামের রাজপথ দখলে রেখেছেন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অংগসংঠনের নেতাকর্মীরা। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের দিনকে ঘিরে সারাদেশে এক উপ্তত্য পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সাথে পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী সরকারীদলের অঙ্গসংগঠনসমূহ চট্টগ্রামের রাজপথ দখলে রেখেছেন।
সরকারীদলের নেতাকর্মীরা বিএনপিকে ঠেকাতে সকাল থেকে বন্দরনগরীর রাজপথে অবস্থান নিয়েছে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আওয়ামী লীগের নির্ধারিত স্পট ছাড়াও পুরো নগরীর বিভিন্ন স্থানে আছেন দলটির নেতাকর্মীরা। লাঠি হাতে মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে নগরীর বিভিন্ন স্পটে টহল দিচ্ছে যুবলীগ-ছাত্রলীগ। নগর মহিলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও লাঠি হাতে রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন।

নগরীর প্রায় ২০টি স্পটে আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগ-ছাত্রলীগের ওয়ার্ডভিত্তিক নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্পটগুলো হচ্ছে এ কে খান মোড়, ইপিজেড মোড়, কাটগড়, বিমান চত্বর, বাদামতলী, দেওয়ানহাট, ওয়াসা, জিইসি মোড়, বহদ্দারহাট মোড়, অক্সিজেন মোড়, শাহ আমানত সেতুর নগরপ্রান্ত, চকবাজার এবং দলীয় কার্যালয় দারুল ফজল মার্কেটের চত্বর।
সকাল ১০টা থেকে নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও মেয়র দামপাড়া মোড়ে অবস্থান নেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর তারা দেওয়ানহাটের দিকে যান।
বিভিন্ন স্পটে গিয়ে জমায়েত হওয়া নেতাকর্মীদের সঙ্গে অবস্থান নেন নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।
এসএসসি পরীক্ষার কথা বিবেচনা করে কোন সভা-সমাবেশ-মিছিলে মাইক না বাজানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র।
চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, রায় নিয়ে বিএনপি নেতারা যেসব বক্তব্য-বিবৃতি দিয়েছেন তাতে মনে হচ্ছে রায় বিরুদ্ধে গেলে তাদের বড় ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা নিয়েছে।
আওয়ামী লীগ একটি দায়িত্বশীল দল হিসেবে জনগণকে এতবড় বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারে না। জনগণের পাশে থাকার জন্য আমরা সকাল থেকে রাজপথে আছি এবং থাকব।
নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আল সুজন বলেন, আমাদের ২০টি স্পটের বাইরেও নেতাকর্মীরা আছেন। অনেকে নিজের বাড়ির সামনে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে নেতাকর্মীদের নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন। ৪৪টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের পক্ষ থেকেও আলাদাভাবে মিছিল হচ্ছে। সুজন বলেন, কাউকে বিছৃংখলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।
