মিরাজের প্রথম সেঞ্চুরিঃ বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪০৩

0

স্পোর্টস ডেস্কঃ বাংলাদেশ-ওয়েষ্ট ইন্ডিজের প্রথম টেষ্টের ২য় দিনে মেহেদি হাসান মিরাজের সেঞ্চুরির বদৌলতে বাংলাদেশ সবকয়টি উইকেট হারিয়ে ৪০৩ রান সংগ্রহ করেছে।
আট নম্বরে নামা মিরাজের এটা প্রথম সেঞ্চুরি।

খালেদ মাসুদ পাইলট, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও সোহাগ গাজীর পর চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে আট নম্বরে ব্যাট করতে নেমে শতক তুললেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১০৩ রানে থামেন তিনি। মিরাজের ক্যারিয়ারের প্রথম শতকের দিনে ৪০৩ রানে অল আউট হয়েছে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই লিটন দাসের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তাঁকে সাজঘরে ফেরান বাঁ-হাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান। এর পরই মাঠে নামেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাকিব আল হাসান। বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার নিজের ২৫তম অর্ধশতক তুলে নেন। বড় সংগ্রহ গড়ার আভাস দিয়েও ৬৮ রান করে সাজঘরে ফিরে যান।

সাকিব ফিরলেও মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে এরই মধ্যে বড় সংগ্রহ গড়েছে বাংলাদেশ। ছাড়িয়ে গেছে ৪০০ রান। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৫০ ওভারে নয় উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৩০ রান। মিরাজ ১০২ ও মুস্তাফিজ ৩ রানে ব্যাট করছেন।

টেস্টে এটি মিরাজের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। এর আগে ২০১৮ সালে ঢাকায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষ অপরাজিত ৬৮ রান করেছিলেন তিনি।

এর আগে প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল পাঁচ উইকেটে ২৪২ রান। প্রথম দিনে দলের পক্ষে সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল ছিলেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। উদ্বোধনীতে নেমে করেছেন দারুণ একটি হাফসেঞ্চুরি। সাজঘরে ফেরার আগে ১৫৪ বলে ৫৯ রান করেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছয়টি চারের মার ছিল।

আরেক ওপেনার তামিম করেছেন মাত্র নয় রান। কেমার রোচের শিকার হন তিনি। ওয়ানডাউনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত রানআউট হন মধ্যাহ্নভোজের আগে। তিনি করেন ২৫ রান। আর বল খেলেছেন ৫৮টি।

অধিনায়ক মুমিনুল হক উইকেটে সেট হয়েও বড় সংগ্রহ গড়তে পারেননি। ৯৭ বলে ২৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। দলের ২০০ রান পূর্ণ হওয়ার আগেই মুশফিক আউট হয়ে যান। তার আগে ৬৯ বলে ৩৮ রান করেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।

প্রথম দিনের শেষটা সুন্দর হয়েছে বাংলাদেশের। শেষ উইকেট জুটিতে সাকিব আল হাসান ও লিটন দাস দারুণ একটি জুটি গড়েন। দুজনে ৪৯ রানের জুটি গড়ে দিন শেষে সম্মানজনক সংগ্রহ গড়ে দিতে মূল্যবান অবদান রাখেন। সাকিব ৯২ বলে ৩৯ এবং লিটন ৫৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন।

২০০৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শতক তুলেছিলেন সাবেক উইকেট রক্ষক পাইলট। ঢাকায় ১০৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। এদিকে ২০১০ সালে হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১১৫ রানের করেছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। অন্যদিকে ২০১৩ সালে ঢাকায় প্রতিপক্ষ ছিল একই। ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন সোহাগ গাজী।

সিটি নিউজ/ডিটি

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.