অর্থবাণিজ্য ডেস্ক : শীতে নানাবিধ রোগবালাইয়ের জন্য মুরগির উৎপাদন কমিয়ে দেন খামারিরা। আবার শীতে সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মুরগির চাহিদাও বেড়ে যায়। ফলে দাম বাড়ছে এই আমিষ পণ্যের। এ ছাড়া মৌসুম শেষ হয়ে আসায় রসুনের দাম বাড়তি। তবে পেঁয়াজ, সবজিসহ অন্যান্য পণ্যের দামে খুব একটা পরিবর্তন হয়নি।
রাজধানীর মালিবাগ, খিলগাঁও, বাসাবো, কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজারে গিয়ে জানা গেছে, ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগেও যা বিক্রি হয়েছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে। শীতের বাকি সময়ে এটির দাম আরো কিছুটা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানালেন ব্যবসায়ীরা। তবে দেশি মুরগির দাম গত এক মাস ধরেই অপরিবর্তিত রয়েছে। এভাবে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা এবং খাসির মাংসের দাম নেয়া হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা।
পেঁয়াজের বাজারে এখন স্বস্তির বাতাস। ক্রেতারা ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে কিনতে পারছেন দেশি ও আমদানিকৃত উভয় ধরনের পেঁয়াজ। যদিও রসুনের দাম বাড়তি। প্রতি কেজি বিদেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। এক মাস আগেও যা বিক্রি হয়েছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। আর মাসখানেক আগে দেশি রসুনের দাম ছিল ৭০ থেকে ৯০ টাকা প্রতি কেজি। এখন তার দাম নেয়া হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। তবে আদার দাম সহনীয় রয়েছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে।
সবজির বাজারে খুব একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি।
স্থিতিশীল রয়েছে মাছের বাজারও। রুই ও কাতলা আকার ও মানভেদে ১৮০ থেকে ৩৫০ টাকা প্রতি কেজি, ৪০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা, ৮০০ গ্রাম থেকে এক কেজির বেশি ওজনের দাম ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হতে দেখা গেছে।
অন্যান্য পণ্যের মধ্যে খোলা ভোজ্যতেলের দাম কিছুটা বেড়েছে। আগের সপ্তাহে ৮০ থেকে ৮৩ টাকা লিটার দরে খোলা সয়াবিন বিক্রি হলেও গতকাল তা বিক্রি হয় ৮৫ থেকে ৮৮ টাকা। তবে বোতল ও প্যাকেটজাত সয়াবিনের দাম আগের মতোই রয়েছে। এক লিটার বোতল ও প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০২ টাকায়।
চিনির দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে। ৪৪ থেকে ৪৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এটি। এ ছাড়া মসুর ডালের দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। তবে আটা, ময়দা, চাল, লবণ, দুধসহ অন্যান্য পণ্যের দামে কোনো পরিবর্তন চোখে পড়েনি।
