ঢাকা: আইনি কাঠামোর সুযোগ নিয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে দুর্বল মৌলভিত্তির নতুন কোম্পানি। বাজারে আসা নতুন এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে ক্ষতির মুখে পড়ছেন হাজারো ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি, ডিএসইর যথাযথ তদারকি না থাকায় এ অনিয়ম থামছে না। এতে আস্থাহীনতার চলমান সংকট থেকে বেরও হতে পারছে না পুঁজিবাজার।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘নতুন তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ততা বেশি মার্চেন্ট ব্যাংকের ইস্যু ম্যানেজারদের। কোম্পানির প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র তৈরি করে দেয় তারা। এ ইস্যু মানেজারদের কার্যক্রম তদারকির আওতায় না আনা গেলে পুঁজিবাজারে সুফল পাওয়া কঠিন।’
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ইস্যু ম্যানেজার অসম্পূর্ণ, অসত্য তথ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করছে। এসব অনিয়ম গোচরে আসলেও আইনের মারপ্যাচে অথবা ম্যানেজ করে বেরিয়ে যান তারা। অনিয়মে কঠোর শাস্তির বিধান এবং তা কার্যকর করা সম্ভব না হলে বিনিয়োগবান্ধব হবে না পুঁজিবাজার।
রাইট শেয়ার ইস্যু নিয়ে ঢাকা ডায়িংয়ের লিমিটেডের আবেদন নাকচ করে বাংলাদেশ সিকিউরটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ থাকার বিষয় গোপন করাসহ অনান্য তথ্য-উপাত্ত জমা না দেয়ায় এ আবেদন নাকচ হয়।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদনের পর তথ্য উপাত্তে অসংহতি খুঁজে পাওয়ায় তা স্থগিত করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। গণপ্রস্তাবে অনিয়মের খবর ছড়িয়ে পড়লে তড়িগড়ি করে কোম্পানির আইপিও স্থগিত করে এসইসি। একই বছর সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিওতে তথ্য উপাত্তে গরমিল থাকায় তা স্থগিত করা হয়।
