অর্থ ও বাণিজ্য : গ্রাম থেকে শহরে অর্থাৎ দেশের এক প্রান্তে থেকে অপর প্রান্তে সর্বত্রই টাকা পাঠানোর সুযোগ তৈরি করেছে মোবাইল ব্যাংকিং। প্রতিমাসেই বাড়ছে বিভিন্ন সেবা বিল দেয়ার পরিমাণ। বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মে মাসে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ৬১৬ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে মোবাইল ব্যাংকিং এর গ্রাহকসংখ্যা ছাড়িয়েছে সাড়ে ৩ কোটি।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, মোট ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার অ্যাকাউন্ট থাকলেও এর মধ্যে চালু রয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ একাউন্ট। যা আগের মাসে ছিল ১ কোটি ৩৭ লাখ। কোনো অ্যাকাউন্ট থেকে টানা তিন মাস কোনো ধরনের লেনদেন না হলে তা ইন-অ্যাকটিভ বা নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়। অবশ্য বড় কোনো অনিয়ম না পাওয়া গেলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে না ব্যাংক। মে মাস শেষে ব্যাংকগুলোর মনোনীত এজেন্টের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৫ লাখ ৯২ হাজার ৪৩২; যা আগের মাসে ছিল ৫ লাখ ৭৭ হাজার।
উল্লেখ্য, সুবিধাবঞ্চিতদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে ২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং চালুর অনুমতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলো বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এ সেবা দিচ্ছে।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম এ সেবা চালু করলেও এখন সবচেয়ে এগিয়ে আছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিকাশ। বর্তমানে ১৯টি ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা থাকলেও মোট লেনদেনের উল্লেখযোগ্য অংশ হয় বিকাশের মাধ্যমে।

Comments are closed.