সিটিনিউজবিডি লন্ডন : দারিদ্র্যকে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অভিন্ন শত্রু হিসেবে উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানও জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শুধু নিজের কথা নয়। প্রতিবেশীদের কথাও ভাবতে হবে’।
আপনাদের কাছ থেকে এতো প্রশংসা পাওয়ার যোগ্যতা আমার নেই। আমার পরিচয়, আমি জাতির পিতার কন্যা। আমার বাবার অসমাপ্ত কাজ শেষ করাই আমার লক্ষ্য।
যুক্তরাজ্য রোববার সন্ধ্যায় সেন্ট্রাল লন্ডনের অভিজাত পার্ক লেইন হোটেলে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করেন। সংবর্ধনা সভায় শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। অনেক বাধা আসবে। সেই প্রতিকূলতা ঠেলেই এগিয়ে যেতে হবে।
ভৌগলিক অবস্থার কারণে বাংলাদেশের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় ভৌগলিক অবস্থার যে গুরুত্ব রয়েছে। যে গুরুত্ব কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নতি করাই আমাদের লক্ষ্য।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, ‘খালেদা জিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে হাতজোড় করে বসে থেকে কি অর্জন করলেন, বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন করে দেশের দুই শতাধিক মানুষ করে কি অর্জন করল। কি লাভ হলো দেশের।’
তিনি আরো বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে যে কয়টি চুক্তি হয়েছে, সেগুলো আওয়ামী লীগ ও তার সরকারের কূটনৈতিক সাফল্য। আজ সারা বিশ্বে বাংলাদেশ একটি মডেল।
অন্যান্যে মধ্যে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্ঠা সজিব ওয়াজেদ জয়, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।
মানপত্র পাঠ করে তা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল গফফার চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রী পরে টিউলিপ সিদ্দিক সহ পাঁচজন নর্ব নির্বাচিত এমপিকে বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী বইটি উপহার দেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মুহাম্মদ শরীফ। পরিচালনা করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয়। সবশেষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে টিউলিপ সিদ্দিক এমপি বলেন, ‘আসলে কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি নিজের খালার হাত থেকে ফুল পাবো’ উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশীদের উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রী বলেন, ‘আপনারা দোয়া করেছেন। আপনাদের সাপোর্ট ছাড়া আমি ব্রিটিশ এমপি হতে পারতাম না।’
