স্পোর্টস ডেস্ক,সিটিনিউজ :: টেস্ট থেকে ছয় মাস বিশ্রাম চেয়ে আবেদন করেছেন সাকিব আল হাসান। খবরটি এরমধ্যেই পুরনো। এই ছয়মাসে বাংলাদেশ খেলবে চারটি টেস্ট। দক্ষিণ আফ্রিকায় দুটি ও ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুটি।
তবে বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, সাকিবকে কেবল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টেস্ট থেকে বিশ্রাম দিতে রাজি হয়েছে বিসিবি। ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজেই ফিরতে হবে তাকে।
সোমবার বিকেলে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দল দেওয়া হবে। তার আগে অবশ্য বোর্ড কর্তারা সাকিবের বিশ্রাম আবেদন পত্র নিয়ে নিজেদের মধ্যে বৈঠক করবেন।
জানা গেছে, সাকিব নাকি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঢাকা টেস্ট জেতার পর পরই টেস্ট থেকে বিশ্রাম চেয়েছিলেন।
সাকিবের বিশ্রাম চাওয়ার আনুষ্ঠানিক আবেদন পত্র পাওয়ার কথা জানিয়েছেন ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান। তবে বিসিবির সিদ্ধান্ত নিয়ে দায়িত্বশীল কেউই কিছু বলতে রাজি হননি।
তিন ফরম্যাটেই সাকিব বাংলাদেশ দলের অপরিহার্য সদস্য। দেশের হয়ে খেলার বাইরে বাকিটা সময় তিনি খেলে বেড়ান বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টে।
ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত ৫১টি টেস্ট, ১৭৭টি ওয়ানডে, ও ৫৯টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। আর বিশ্বের বিভিন্ন ফ্রেঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগে খেলা ম্যাচের সংখ্যা ১৭৮টি।
সংখ্যা বলছে চাপ আছে তার উপর। তবে সে চাপ থেকে বাঁচতে টেস্টে থেকে বিশ্রামের কথা ভাবাটাও জন্ম দিচ্ছে বিস্ময়ের। কারণ চলতি বছরের টেস্টে ব্যাটে-বলে সাকিব আছেন জীবনের সেরা ফর্মে।
এরমধ্যেই ৭ টেস্টে ব্যাট হতে করে ফেলেছেন ৬৬৫ রান, এক পঞ্জিকাবর্ষে তার সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড। উইকেট নিয়ে ফেলেছেন ২৯টি।
বছরের বাকি চারটি টেস্ট খেললে সুযোগ ছিলো এক বছরে এক হাজার রান ও ৫০ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডের।
সাকিব সব জলাঞ্জলি দিয়ে নিতে চাইছেন বিশ্রাম। ছয় মাসে মাত্র চার টেস্টই কি বড় কোন চাপ? কোন কিছুই জানা যাচ্ছে না পরিষ্কার করে। সাকিব যে মিডিয়ায় বলতে চাইছেন না কিছুই।
