চট্টগ্রামে রোহিঙ্গাদের জন্য মরক্কো ও ভারতের ত্রাণ

0

নিজস্ব প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,সিটিনিউজ : রোহিঙ্গাদের জন্য ভারতের ৫৩ টন ও মরক্কোর ১৪ টন ত্রাণ নিয়ে চট্টগ্রামে পৌছেছে ২ টি ত্রানবাহী বিমান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমান বন্দরে অবতরণ করে ভারতীয় বিমানটি। এর আগে সকাল ৯ টা ২৫ মিনিটে ত্রান নিয়ে আসে মরক্কোর একটি বিমান।

সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ সময় বিমান বন্দরে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলা বিমানের ত্রাণসামগ্রী বুঝিয়ে দেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বক) মাসুকুর রহমান শিকদার, শাহ আমানত বিমান বন্দরের ব্যবস্থাপক উয়িং কমান্ডার রিয়াজুল কবির প্রমুখ এ কাজে সহায়তা করেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বক) মাসুকুর রহমান শিকদার জানান, ভারতীয় ত্রাণবাহী বিমানটিতে চাল, ডাল, তেল, চিনি, লবণ, গুড়ো দুধ, বিস্কুট, নুডলস, সাবান ও মশারি রয়েছে। এগুলো ১৫ কেজি করে প্যাকেট করা। একজন রোহিঙ্গা ১৫ কেজির একটি প্যাকেট পাবেন।
তিনি বলেন, ত্রাণসামগ্রীগুলো দ্রুত কক্সবাজারের টেকনাফ, উখিয়া ও বান্দরবানের নাক্ষ্যংছড়ি এলাকায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের কাছে পাঠানো হবে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জিল্লুুর রহমান জানান, ভারত রোহিঙ্গাদের জন্য মোট ৭ হাজার টন ত্রাণ পাঠাবে। তম্মধ্যে প্রথম দফায় ৫৩ টন ত্রাণ নিয়ে এলো বিমানে করে। বাকী ত্রাণও জাহাজ ও বিমানে পাঠাচ্ছে ভারত।

এর আগে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা ২৫ মিনিটে মরক্কোর একটি বিমান রোহিঙ্গাদের জন্য ১৪ টন ত্রাণ নিয়ে চট্টগ্রাম শাহ আনাত বিমান বন্দরে পৌছে।আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে বিমানটি অবতরণ করে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাবিবুর রহমান বিমানের ত্রাণসামগ্রী বুঝে নেন। মরক্কোর রাষ্ট্রদুত মো. মজিদ হালিম, চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ এ কাজে সহযোগীতা করেন।

জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, রোহিঙ্গাদের সাহাযার্থে মরক্কো সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে এসব ত্রাণ। এর মধ্যে ৪ টন চাল, ২ টন গুড়ো দুধ, ৭০ পিস তাবু, এক হাজার পিস কম্বল, এক টন মেট্রেস, ৫০০ কার্টন ওষুধ রয়েছে।

আজ দুপুর ১২টায় মরক্কোর রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জিল্লুুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গেও সাক্ষাত করেন বলে জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান।

তিনি জানান, বেলা দেড়টার দিকে ভারত থেকে ত্রাণবাহী আরেকটি উড়োজাহাজ আসছে। সন্ধ্যা সাতটার দিকে রোহিঙ্গাদের জন্য ইন্দোনেশিয়ার আরও দুটি ত্রাণবাহী কার্গো বিমান আসবে। আগামীকাল শুক্রবার ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও দুটি ও ভারত থেকে একটি ত্রাণবাহী উড়োজাহাজ আসবে।

 

 

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.