নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি বছরে প্রকাশিত লন্ডনভিত্তিক ম্যাগাজিন লয়েডস্ লিস্টে চট্টগ্রাম বন্দর কন্টিনার হ্যান্ডেলিংয়ে ১১ ধাপ থেকে এগিয়ে ৭৬তম স্থানে উন্নীত হয়েছে। আজ রবিবার চট্টগ্রাম বন্দরে নবনির্মিত সাউথ কন্টেইনার ইয়ার্ডের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলেই আন্তর্জাতিক শিপিং বিষয়ক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম লয়েড্সে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর রেটিংয়ে ৭১ তম স্থানে রয়েছে।
তিনি বলেন, বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন টার্মিনাল নির্মাণসহ নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।
মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বন্দরের গতিশীলতা আনয়ন ও অপারেশনাল কাজে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এই ইয়ার্ড।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলম, এম এ লতিফ এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম খালেদ ইকবাল, কাস্টমস কমিশনার ডক্টর একেএম নুরুজ্জামানসহ অন্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী পরে চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য মুক্তিযুদ্ধের মনুমেন্ট ও ৪০তলা ভবনের নকশার পর্যালোচনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট কমিয়ে আনতে এবং পণ্য আনা নেয়ায় গতি আরো বাড়াতে চালু করা হলো সাউথ কন্টেইনার ইয়ার্ড। সকালে ৪৩ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত এই ইয়ার্ডের উদ্বোধন করেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী।
গত অক্টোবর মাসে আমদানি-রপ্তানি মিলিয়ে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৪শ’ ১৫ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে। এক মাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এটি। তবে জেটি সংকট ও কন্টেইনার রাখার পর্যাপ্ত স্থান না থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতির অপ্রতুলতার কারণে নানা জটিলতায় পড়তে হয় চট্টগ্রাম বন্দরকে। সংকট সমাধানে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এবার চালু করা হলো বন্দরের সাউথ কন্টেইনার ইয়ার্ড।
প্রায় ১০ একর জায়গা জুড়ে ৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ইয়ার্ডটিতে ৩ হাজার ৩শ’ ৫০টি কন্টেইনার রাখা সম্ভব।
