বিএনপি ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না: খালেদা জিয়া

0

সিটিনিউজ ডেস্ক :: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘সরকার যদি মনে করে নেতাকর্মীদের জেলে নির্বাচন দেবে তাহলে সে নির্বাচন আমরা অংশগ্রহণ করব না। কারণ বিএনপি অনেক বড় রাজনৈতিক দল। বিএনপি ছাড়া এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। ২০১৮ সাল হবে গণতন্ত্রের বছর।’

ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ রাখার পর তাঁর আসার প্রায় আধা ঘণ্টা পর মিলনায়তনের দরজা খুলে দেয় পুলিশ।

ছাত্রদলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ওই ইনস্টিটিউশনের মিলনায়তনে আজ মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) ওই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। তবে সকাল থেকেই মিলনায়তনে প্রবেশের দরজা বন্ধ রাখে পুলিশ। ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে মিলনায়তনের বাইরে খোলা চত্বরে সমাবেশ শুরু করে ছাত্রদল।

বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান খালেদা জিয়া। সোয়া ৫টার দিকে মিলনায়তনের দরজা খুলে দেয় পুলিশ। এর পরই খালেদা জিয়া ভেতরে প্রবেশ করেন এবং আলোচনা সভা শুরু হয়।

এদিকে, খোলা চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে বক্তৃতা দেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

সেখানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আজ থেকে এ সরকারের পতনের দিন শুরু হলো। বিএনপিসহ দলের অঙ্গ সংগঠনগুলো আজ থেকে সামনে এগিয়ে যাবে। কেউ আর পিছিয়ে পড়বে না।’

ফখরুল ব‌লেন, ‘সরকার দেশটাকে শেষ করে দিয়েছে। তারা ব্যাংক ও শেয়ার বাজার লুটপাট করায় ধ্বংস হয়ে গেছে দেশের অর্থনীতি।’ তিনি আরো বলেন, ‘সমাবেশটি দুপুর ২টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভেন্যুর ফটকে তালা দেওয়া হয় সকালেই। সেই তালা খোলেনি। এ কারণে সামনের চত্বরেই সমাবেশের প্রস্তুতি নেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। কার ইঙ্গিতে ছাত্রদলের আজকের সমাবেশ পণ্ড করতে চেয়েছিলেন? এই সমাবেশ কার ইঙ্গিতে বানচালের চেষ্টা করা হয়েছে?’ এই দল (আওয়ামী লীগ) হলো সেই দল, যারা অন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করেছে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, ‘২০১৮ হবে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার বছর। ছাত্রদলের সব নেতাকর্মীকে শপথ নিতে হবে এই বলে— এই বছর হচ্ছে কঠিন বছর। গণতন্ত্র উদ্ধারের বছর।’

ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস ছাত্তার পাটোয়ারি বলেন, ‘আমরা গতকাল (সোমবার) রাত থেকেই সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু আজ সকাল ৯টায় সমাবেশ স্থলের এক কর্মকর্তা ফোন করে জানান, শাহবাগ থানার অনুমতি পেলে মিলনায়তনের গেট খোলা হবে। সরকার সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচার মনোভাব দেখিয়ে আমাদের সমাবেশে বাধা দিচ্ছে।’

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.