অর্থবাণিজ্য ডেস্ক :: চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের ৫ মাসে তৈরি পোশাক খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বেড়েছে। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের এ পর্যন্ত নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং ওভেন গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। অন্যদিকে হোম টেক্সটাইল পণ্য রপ্তানি কমেছে ৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) নভেম্বর মাসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবছরের ৫ মাসে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৫২৩ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪৯৯ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার। ওয়েন গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানিতে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে আয় হয়েছে ৫২২ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪৬৯ কোটি ৩৪ লাখ মার্কিন ডলার। হোম টেক্সটাইল পণ্য রপ্তানি করে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে আয় হয়েছে ২৭ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এই খাতে আয় হয়েলিছ ২৯ কোটি ৮৬ লাখ মার্কিন ডলার।
ইপিবির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫১০ কোটি ১ লাখ মার্কিন ডলার। এই সময়ে আয় হয়েছে ৫২৩ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে এই খাতে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে ওভেন গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানিতেও ইতিবাচক ধারা অব্যাহত ছিল। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বেড়েছে ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। তবে আলোচ্য সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এই খাতে ৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ কম আয় হয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে ওভেন গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫৪২ কোটি ২৮ লাখ মার্কিন ডলার। আলোচ্য সময়ে এই খাতে আয় হয়েছে ৫২২ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার।
নিটওয়্যার এবং ওভেন গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানিতে গত অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে রপ্তানি আয় বাড়লেও হোম টেক্সটাইল পণ্য রপ্তানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় কমেছে। চলতি ২০১৯-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে হোম টেক্সটাইল পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩২ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার। এই খাতে এখন পর্যন্ত আয় হয়েছে ২৭ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৫ দশকি ৩২ শতাংশ কম। একইসঙ্গে গত অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসের তুলনায় আলোচ্য সময়ে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে।
