বাংলাদেশে অতিদরিদ্র হ্রাস পাচ্ছে – মুস্তাফা কামাল

0

সিটিনিউজবিডি :   দেশে দারিদ্র্য পরিকল্পনা অনুসারেই কমছে। বর্তমানে অতি দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দুই কোটির কাছাকাছি। ২০১১ সালে এই সংখ্যা ছিল দুই কোটি ৬০ লাখের বেশি। আমরা এই সংখ্যা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কয়েক লাখ কমিয়ে নিয়ে আসার লক্ষ্যে কাজ করছি। আমরা আশা করছি, ২০২১ সালের মধ্যে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে আমরা সক্ষম হবো। অতি দরিদ্র লোকের সংখ্যা কোটির নিচে চলে আসবে।
রোববার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইন-এ আয়োজিত ‘অতিদরিদ্র হ্রাস: উন্নয়ন কৌশল, মডেল ও সমাধান’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল এ কথা বলেন। এই সভার আয়োজন করে ব্র্যাক।

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘উৎপাদনশীল খাতে প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দেশে একটি শক্তিশালী মধ্যবিত্ত শ্রেণি তৈরি করা গেলে স্বাভাবিকভাবেই অতি দরিদ্র লোকের সংখ্যা কমে আসবে। দারিদ্র্য কমাতে হলে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন,’ দারিদ্র্য দূর করা অবশ্যই সরকারের দায়বদ্ধতার মধ্যে পড়ে। ১৯৭১ সালে দেশে ৭০ ভাগ লোক দারিদ্র্য সীমার নিচে ছিল। এখন অতি দরিদ্র মানুষ কমে ২২ শতাংশে চলে এসেছে। এই অর্জনের পেছনে সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সকলের অবদান রয়েছে।

দারিদ্র্যকে শত্রু উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এটাকে দূর করতে হলে শিক্ষা ও সুব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ও এ দুইটি বিষয়কে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়ার ক্ষেত্রে দুইটি বিষয়ে সর্বাধিক প্রাধান্য দিচ্ছে।’

মুস্তফা কামাল বলেন, ‘দারিদ্র্য দূর করতে হলে যে নীতি নির্ধারণ করতে হয় তাতে সরকারের ইচ্ছা ও জনগণের অংশগ্রহণ একসঙ্গে থাকতে হবে। সেই সঙ্গে গবেষকদের এমন সুস্পষ্ট সুপারিশমালা প্রণয়ন করতে হবে, যার ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় এবং দেশে দারিদ্র্য কম সময়ের মধ্যে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।’

সভায় সামাজিক নিরাপত্তা সম্পর্কে কৌশল উপস্থাপন করেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। ব্র্যাকের অতি দারিদ্র্য নিরসন মডেল উপস্থাপন করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সিরাজ হাসমি। সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাকের ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ মোশতাক রেজা চৌধুরী।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.