বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বিশেষ মনোযোগ দেয়ার দাবি

0

সিটিনিউজ ডেস্ক::বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বিশেষ মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইইডি)। সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও নাগরিক-বান্ধব সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে এ দাবি জানানো হয়।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর শামসুল আরেফিন মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানায় আইইডি।

বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা, একাডেমিক, ট্রেড ইউনিয়ন ও সিবিও সমন্বয়ে গঠিত আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক স্যাপির সহায়তায় আইইডি ‘অসামরিকীকরণ ও সামাজিক সুরক্ষা’ শিরোনামে একটি পজিশন পেপার তৈরি করেছে। বিশিষ্ট গবেষক ও সমাজকর্মী মঙ্গল কুমার চাকমা প্রণীত ওই পজিশন পেপারের উপর আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন আইইডি চেয়ারম্যান বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রো-ভিসি ডা. রশিদ ই মাহবুব।

সভায় সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন আইইডির প্রকল্প সমন্বয়কারী জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়। আলোচনা করেন আইইডির নির্বাহী পরিচালক নুমান আহম্মদ খান, প্রকল্প কর্মকর্তা হাফিজ আদনান রিয়াদ, সাংবাদিক নেতা রফিকুল ইসলাম আজাদ প্রমুখ।

সভায় মূল প্রবন্ধে বলা হয়, সত্যিকার গণতান্ত্রিক ও নাগরিকবান্ধব সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান তৈরি ও শক্তিশালী করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনপ্রতিনিধি ও বেসামরিক জনপ্রশাসনের মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হওয়া প্রয়োজন। আজও অনেক মানুষ দরিদ্র, তাই দেশে সামাজিক নিরাপত্তা সম্পর্কিত খাতে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। সামরিক খাতের ব্যয় জাতীয় বাজেটের আওতাধীন করে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করতে হবে।

সভায় বলা হয়, নারী, আদিবাসী, দলিত ও অন্যান্য পিছিয়েপড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষার লক্ষ্যে বিশেষ মনোযোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি দরিদ্র মানুষের ক্ষমতায়নের জন্য খাদ্য নিরাপত্তায় প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার। সভায় সামাজিক সুরক্ষায় সব নাগরিকের জন্য পেনশন স্কিম নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র ও সুশাসনের আকাঙ্ক্ষায় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতালাভের পরপরই আমরা একটি গণতান্ত্রিক সংবিধান পাই ও সে অনুযায়ী দেশ পরিচালনা হতে থাকে। কিন্তু স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছর পরেই দেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতিকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পদ্ধতি থেকে প্রত্যক্ষ সামরিক শাসনে প্রবেশ করে। এই সময়কালে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ধ্বংস ও সেনাবাহিনীকে পাশে রেখে বেসামরিক সরকার দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে নতুন মেরুকরণ তৈরি হয়।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.