রমজানে ভোগ্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার দাবি

0

বিশেষ প্রতিবেধক : সারাদেশের মত রমজানকে সামনে রেখে চট্টগ্রামেও ভোগ্য পন্যের দাম বাড়ানোর অভিযোগ রয়েছে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে । এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে রমজানে বাজারে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্ঠি করে। ছোলা, চিনি এবং ভোজ্য তেলের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্য নিয়ে চলে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারসাজি।

চকবাজারে বাজার করতে আসা একজন ক্রেতা কাউছার আকতার জানান,রোজায় ভোগ্য পণ্য সংকট সৃষ্ঠির চেষ্টা করে ব্যবসায়ীরা । সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয় তারা । প্রত্যেক বছর রমজানে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেশী থাকে তাই সরকারের কাছে দাবী থাকবে যেন ভোগ্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকে ।এদিকে রমজানে ভোগ্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন বিভিন্ন সংগঠন।

সিন্ডিকেট এবং মজুদদারির মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে প্রতি বছরের মতো এবারো রমজানে ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ানোর আশঙ্কা করছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে রমজানে দাম নিয়েই ব্যবসায়ীদের বেশি কারসাজি চলে।

পবিত্র রমজান উপলক্ষে অত্যাবশ্যকীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ, মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার মনিটরিং ও নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছিল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। সভায় রমজান উপলক্ষে ছোলা ও চিনির দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

প্রতি বছর রমজানে ভোগ্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও ‘ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের’ চাপে সেই পদক্ষেপ ভেস্তে যায় বলে জানান সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা।

রমজানকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের খুচরা বাজারে চিনি ৬৩ এবং ছোলার ৮০ টাকা দর নির্ধারণ করে দেয় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। এদিকে রাষ্ট্রয়াত্ত সংস্থা টিসিবি খোলা বাজারে চিনি ৫৫ টাকা এবং ছোলা ৭০ টাকা দরে বিক্রির সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন ।

পর্যাপ্ত আমদানি স্বত্বেও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয় এসব ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট । পুরো রমজান মাসে বাংলাদেশে চিনির চাহিদা থাকে প্রায় ৪ লাখ মেট্রিক টন। এছাড়া ভোজ্য তেলের চাহিদা থাকে সোয়া দু’লাখ মেট্রিক টন ও ছোলা দেড় লাখ মেট্রিক টন। কাস্টম হাউজের তথ্য মতে, ইতোমধ্যে সাড়ে চার লাখ মেট্রিক টন চিনি, ১৫ লাখ মেট্রিক টন ভোজ্য তেল এবং পাঁচ লাখ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি হয়েছে। তারপরও রয়ে যাচ্ছে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের মজুদদারির আশংকা।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.