বাঁশখালীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের উত্তেজনা

0

বাঁশখালী প্রতিনিধি : বাঁশখালী উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও বৈলছড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ ইব্রাহিম খলিলের ছোট ভাই মোঃ ইউছুফকে মারধর ঘটনার জের ধরে বিএনপি’র দুই গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রাতে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উভয় গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

বাঁশখালী পৌরসভার মিয়ার বাজারে চেয়ারম্যানের ছোট ভাই মোঃ ইউছুফের ওয়ালটন শো-রুমে বিকেলে পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি রাসেল ইকবাল মিয়া ও মোঃ আলী গিয়ে ইউসুফকে মারধর ও ক্যাশ বক্স থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন মোঃ ইউছুফ। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ইব্রাহিম চেয়ারম্যান সমর্থিত গ্রুপের লোকজন জড়ো হয়ে উপজেলা সদরে মিছিল করে। তাদের অভিযোগ তারা এ সময় অপর গ্রুপের লোকজনকেও ধাওয়া করে।

এরপরে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপর গ্রুপ মিছিল করার জন্য লোক জমায়েত করছে সূত্রে জানা যায়। অভিযোগে প্রকাশ পৌরসভা বিএনপির সভাপতি রাসেল ইকবাল মিয়া সিটিনিউজকে বলেন, মোঃ ইউসুফ বিএনপির রাজনীতি নিয়ে নানা ধরনের কটুক্তি করে ফেসবুকে লেখায় তাকে দুইটা চড় থাপ্পর মারা হয়েছে। আর কিছু না।

কিন্তু এখন দেখি তারা মিছিলসহ নানা কিছু করছে। অপরদিকে ঘটনার শিকার মোঃ ইউছুফ বলেন আমি উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান ইব্রাহিমের ভাই হলেও আমি রাজনীতি করি না। আমি ব্যবসা করি। ফেসবুকে রাজনৈতিক কথা লেখা হলে তা রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলা না করে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে আমাকে হামলা করে আমার মাথায় এবং নাকে প্রচন্ড আঘাত করা হয়েছে।

বর্তমানে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে আমি উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম শহরে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছি। তারা ওই সময়ে আমার ক্যাশ বক্সে থাকা প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপিতে চলছে চরম উত্তেজনা। উল্লেখ্য বাঁশখালী পৌরসভা ও উপজেলা বিএনপি দুই ভাগে বিভক্ত। তার এক গ্রুপে রয়েছে ইব্রাহিম চেয়ারম্যানসহ অন্যরা।

এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানার দায়িত্বর কর্মকর্তা এস আই উৎফল চক্রবর্তী বলেন মোঃ ইউছুফ এর দোকানে এসে তাকে মারধর করে , দোকানে রত্তের চি‎হ্ন ও দেখেছি । এটা তাদের দলীয় কোন্দল ।এখনও কেউ কোন অভিযোগ দাখিল করেনি।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.