মৎস্য আড়ত পূর্বের জায়গায় থাকবে- মহিউদ্দিন চৌধুরী

0

সিটিনিউজ ডেস্ক :   চট্টগ্রাম সোনালী যান্ত্রিক সমবায় সমিতি লি: এর সদস্য ভুক্ত পাইকারী মৎস্য আড়তদারগণ সোমবার(১৩ মার্চ) বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী’র সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এই সময় তিনি বলেন, উচ্চতর আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে কর্ণফুলী নদী তীরবর্তী বাকলিয়া থানাধীন রাজাখালিতে আজিজ উল্লাহ ওয়াকফ এস্টেটের নিজস্ব সম্পত্তির উপর মোটা অংকের বিনিময়ে দোকান বরাদ্দ দিয়ে স্বার্থান্বেষী মহল আইন ও সুশাসনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছেন।

এরা প্রকৃত মৎস্যজীবীদের ভাগ্য নিয়ে চিনিমিনি খেলছে এবং মৎস্য শিল্পকে জিম্মি করে ফেলেছে। আমি এদেরকে চিনি এবং তাদের অতীত ও বর্তমান আমাদের জানা আছে। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারী আদেশ অমান্য করে একটি চক্র জাটকা নিধন করছে এবং এসব আড়তে মজুদ করছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি আরো বলেন, আগামী ১৫ মার্চ ইকবাল রোডস্থ পুরাতন পাইকারী মৎস্য বিপনন কেন্দ্রে আহুত সমাবেশ থেকে আন্দোলন সংগ্রামের লাগাতার কর্মসূচী পালিত হবে।

১৬ মার্চ ভোরে আগের মতই এখানে মাছের পাইকারী বাজার বসবে। এ ব্যাপারে পুলিশ ও প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাওয়া হবে এবং বাজারে মাছ আনা-নেয়ার সময় পরিবহনগুলোকে পুলিশী স্কট প্রদান করা হবে। তিনি হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, আজিজ উল্লাহ ওয়াকফ এস্টেটের নিজস্ব সম্পত্তি আড়ত-দোকান করতে যাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। তা আগামী ৭ দিনের মধ্যে ফেরত দিতে হবে। তা নাহলে লুটেরা ও দুষ্টচক্রের তিন হোতা আমিনুল হক বাবুল সরকার, মোহাম্মদ আলী ও মোহাম্মদ নুর হোসেনের বিরুদ্ধে দুদকে মামলা করা হবে।

তিনি উল্লেখ করেন ২০১৯ সালের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনবান্ধব সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য হঠাৎ করে পরিবহন ধর্মঘট ডেকে নাশকতা ও জনদুর্ভোগ বাড়িয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবে আমরা মাছে-ভাতে বাঙালি।

সাধারণ মানুষের প্রোটিন যোগায় মৎস্যজীবীরা। তাদেরকে শোষণের যাঁতাকলে পিষ্ঠ করে বাঙালিকে প্রোটিন শূন্য করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আইনী লড়াইয়ে উচ্চ আদালত সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আজিজ উল্লাহ ওয়াকফ এস্টেটের অনুকূলে স্থগিতাদেশ প্রদান করে উচ্চ আদালতে বিবাদীর পক্ষের আবেদনের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ খারিজ করে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টের সুপ্রিম কোর্ট ডিভিশনে রীট পিটিশন করা হলে স্থগিতাদেশ বহাল রাখা হয়।

মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন- মো: আবু নাসের বাপ্পী, মো: দিদার আলম, মো: জামাল, মো: রিমন চৌধুরী, জ্ঞান কান্তি, রফিক মাহমুদ, জাহাঙ্গীর আলম, শাকিল আহমদ, মো: জয়নাল আবেদীন, মো: সেলিম, মো: শাহ আলম, হেলাল আকবর বাবর, মো: জানে আলম, মো: আবু বক্কর সিদ্দিক দিদার, মুহাম্মদ শাহজাহান, হাজী সিদ্দিক আহাম্মদ সওদাগর, পারভেজ আহমেদ, মো: মঈন উদ্দিন, মো: সেলিম, মো: আলমগীর, মো: মুছা খাঁন, মো: ইব্রাহীম, আবদুল জব্বার, স্বরূপ বিকাশ বড়ুয়া, মো: মহসিন, বজল আহমদ, হাজী আরওয়াজেদ, মোসলেম, হাজী জনিয়ত আলী, মো: ইমতিয়াজ আলী, মো: জিন্নাত আলী, মো: শওকত আলী, শামসুন আলম, হাজী আবদুস সাত্তার, আবদুর মালেক, ইরফান মাহমুদ, শক্তি বিকাশ বড়–য়া, উত্তম কুমার দত্ত,

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.